কি কারনে বলিউড অভিনেতাদের সঙ্গে ছবি করতে রাজি হননি রাইমা ?

By Paromita

Published on:

রাইমা সেন একটা সময় বলিউডের বড় বড় অভিনেতাদের সঙ্গে সিনেমা  করতে কেন রাজি হননি জানেন? জানলে অবাক হবেন। 

রাইমা সেন ১৯৭৯ সালে ৭ই নভেম্বর জন্মগ্রহণ করেন। অভিনেত্রী মুনমুন সেনের মেয়ে হচ্ছেন রাইমা সেন। তিনি কলকাতায় বড় হন। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তিনি গ্রাজুয়েশন  কমপ্লিট করেন । বর্তমানে তার বয়স ৪৩ বছর।  টলিউড অভিনেত্রী সুচিত্রা সেন ছিলেন তার দিদিমা। রাইমা এমন একটা পরিবারে জন্ম নিয়েছিলেন যেখানে তার পরিবারের কেউ না কেউ চলচ্চিত্রের সঙ্গে জড়িত । বলিউডে সিনেমার মাধ্যমে প্রথম অভিনয়  জগতে পা রাখেন । ১৯৯৯ সালে গডমাদার হিন্দি চলচ্চিত্রে তাকে প্রথম অভিনয় করতে দেখা যায় । তারপর থেকেই তাকে আর পিছন ফিরে তাকাতে হয়নি। ২০০১ সালে টলিউড অভিনেতা প্রসেনজিতের সঙ্গে ‘চোখের বালি’ ছবিতে ‘আশালতা’ চরিত্রে তাকে অভিনয় করতে দেখা যায় । রাইমা সেন  ঋতুপর্ণা সেনগুপ্তের সঙ্গে ‘নিশিযাপন’ ছবিতে অভিনয় করেন । যার জন্য তিনি  পুরস্কৃত হয়েছিলেন । ২০১০ সালে ‘হাওয়া বদল’ ছবিতে অভিনয় করেন। 

এরপর থেকেই রাইমা সেন জনপ্রিয় হয়ে ওঠেন। বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করে দর্শকদের মন জয় করে নেন। বর্তমানে রাইমা সেনের ইনস্টাগ্রাম ফলোয়ার সংখ্যা ১.৫ মিলিয়ন। 

রাইমা এক সাক্ষাৎকারে বলেন  ছবির চরিত্র পছন্দ হলেই তবে তিনি ছবি করতে রাজি হন । সিনেমার  চরিত্র পছন্দ না হলে তিনি ছবি করতে রাজি হন না । বর্তমানে তিনি বিভিন্ন ওয়েব সিরিজে  অভিনয় করছেন । বিভিন্ন সাইকোলজি থ্রিলার ছবিতে অভিনয় করতে তাকে দেখা যায় । রাইমা সেন যে সিঙ্গেল সেটা তিনি এক সাক্ষাৎকারে জানান। রাইমা ব্যক্তিগত জীবনে কোন ভালোবাসার সম্পর্কে জড়াননি। তবে সেই নিয়ে তাকে পরিবারের কেউ তাকে চাপ সৃষ্টি করেনি। 

বলিউড অভিনেতাদের সঙ্গে ছবি করতে রাজি হননি রাইমা । কারণ জানলে আপনারা অবাক হবেন । একটা সময় শাহরুখ অভিনীত ‘মহব্বতেঁ’ ছবিতে তাকে অভিনয় করার জন্য প্রস্তাব দেওয়া হয় কিন্তু তিনি ‘মহব্বতেঁ’ ছবিতে অভিনয় করার জন্য  অডিশনের দিন  যাননি। কেন তিনি যান নি সেটা স্পষ্ট করে রাইমা বলেননি । তবে সেই নিয়ে রাইমা নিজেকে দোষী মনে করেন না

Paromita

হ্যালো! আমি পারমিতা, একজন নিবেদিত বিষয়বস্তু লেখক যিনি আকর্ষণীয় সংবাদ নিবন্ধ তৈরিতে বিশেষজ্ঞ। সাংবাদিকতার দ্রুতগতির জগতে, আমি ব্রেকিং নিউজ অনুসরণ করার এবং গভীর বৈশিষ্ট্যগুলি অনুসন্ধান করার উত্তেজনায় সাফল্য অর্জন করি। আমার লেখার শৈলী স্পষ্টতা, নির্ভুলতা এবং বর্ণনামূলক স্বভাবের সংমিশ্রণ, যা বিভিন্ন দর্শকদের জন্য সংবাদকে অ্যাক্সেসযোগ্য এবং আকর্ষণীয় করে তোলে।

Leave a comment